
বাংলা খবর২৪ অনলাইন নিউজ ডেস্ক, প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৫।
পর্ব- ০১
জুলাইয়ের ছাত্র জনতা আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিবাদ সরকার চলে যাওয়ার পর থেকে একে একে বেরিয়ে আসছে তাদের দোসরদের দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র। ফ্যাসিবাদ সরকারের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অল্প সময়ের ব্যবধানে অনেকই রাস্তা থেকে হয়েছে হাজার কোটি টাকার মালিক।
এদের মধ্যে অন্যতম চট্টগ্রামের এক বিতর্কিত ধনাঢ্য ব্যক্তি মুসলেম উদ্দীন প্রকাশ চিনি মুসলেম।
চিনি মুসলেমের বয়স আনুমানিক ৫০ বছর। তার জন্ম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ঈসামতী আলীনগর গ্রামে। তিনি কখনো সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, তবে ফ্যাসিবাদ সরকারের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে ছিলো ঘনিষ্ঠতা। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদ সরকারের ডোনার হিসাবে পরিচিত এস আলম গ্রুপের কর্ণধার মাসুদ ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবু রেজা নদভীর সাথে ছিলো গভীর সম্পর্ক
দুই দশক আগে চিনি মুসলেম চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ এলাকায় রিকশা চালাতেন। এরপর একটি বেকারীর দায়িত্ব, পালন করে কোন রকম সংসার চালাতেন। হাঠাৎ করেই খাতুনগঞ্জে বিভিন্ন ব্যবসায় যুক্ত হন। সময়ের ব্যবধানে তিনি বিপুল ধন-সম্পদের মালিক বনে যান।ফ্যাসিবাদ সরকারের ডোনার হিসাবে পরিচিত এস আলম গ্রুপের কর্ণধার মাসুদ ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবু রেজা নদভীর আর্শীরবাদে গড়ে তোলান হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, চিনি মুসলেমের নামে জালালাবাদ পশ্চিম খুলশী হাউজিং তার নামে ২০০ শতক প্লট, কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকায় রয়েছে ১০ কাঠার দুটি প্লট যার বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা, ও আর নিজাম রোডের ৩ নং লেনের ৪১ নম্বরে রযেছে আলিশান বহুতল বাড়ি।রয়েছে বৃহৎ ডেইরি ফার্ম। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই বিশাল সম্পত্তির মালিক হয়েও চিনি মুসলেম বা তার স্ত্রী-সন্তানরা সেখানে বসবাস করেন না। এক আত্মীয়ের ওপর দেওয়া হয়েছে এসব সম্পত্তি দেখভালের দায়িত্ব।
এক সময়ের রিকশাচালক কীভাবে এত অল্প সময়ে বিশাল সম্পদের মালিক হলেন? তার এই অর্থ কোথা থেকে এলো? রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সঙ্গে তার সংযোগের ফলে কি তিনি অবৈধ সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন?
এই অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে…